Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সাধারণ তথ্য

রোগব্যাধি প্রতিরোধের জন্য কর্মসূচি মোতাবেক ভ্যাকসিন প্রদান একটি বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা। সাম্প্রতিককালে বাণিজ্যিকভিত্তিতে বিশেষ করে নিবিড়ভাবে পোল্ট্রি প্রতিপালনের ক্ষেত্রে কার্যকরভাবে ভ্যাকসিন প্রদানের গুরুত্ব অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। রুটিন অনুযায়ী ভ্যাকসিন প্রদান করার পরও অনেক খামারে রোগের প্রাদুর্ভাব হবার ঘটনা ঘটে থাকে। ভ্যাকসিন প্রদানের লক্ষ্যে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হলেও এর কার্যকারিতা আশানুরূপ না হবার ফলে অনেক খামারী হতাশ হয়ে থাকেন এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে দোষারোপ করেন। খামারী দিশেহারা হয়ে অন্য কোম্পানীর ভ্যাকসিন খোঁজেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও মূল সমস্যার সমাধান করা হয় না। প্রকৃতপক্ষে ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে গুণগত মানসম্পন্ন ভ্যাকসিন উৎপাদনের লক্ষ্যে নানাবিধ বিধিনিষেধ প্রতিপালন করতে হয়। এজন্য ভ্যাকসিনের অকার্যকরতা সাধারণত লক্ষ্য করা যায় না। তথাপি ভ্যাকসিন প্রদানের পরও রোগ নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থতার নানা কারণ রয়েছে। এগুলো মোটামুটি নিম্নরূপঃ
        ১) সংরক্ষণ ব্যবস্থায় ত্রুটি
        ২) ভ্যাকসিন পরিবহনের সময় কুলচেইন রক্ষা না করা
        ৩) ভ্যাকসিনের ডাইলিউশন সঠিক না হওয়া ও ত্রুটিপূর্ণ ডাইলুয়েন্ট
        ৪) ভ্যাকসিন প্রদানকারীর অদক্ষতা
        ৫) মুরগির ঘরের অব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ
        ৬) মাঠপর্যায়ে অত্যন্ত মারাত্মক/উগ্র প্রকৃতির জীবাণুর উপস্থিতি/চ্যালেঞ্জ
        ৭) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অবদমন 
        ৮) ধকল
        ৯) পুষ্টিহীনতা ।